মোঃ ইব্রাহিম হোসেন স্টাফ রিপোর্টার ঢাকাঃ
সম্প্রতি ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন সাবেক যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল। সংবাদমাধ্যমে তাঁকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি একটি বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল জানান, ঘটনার দিন অর্থাৎ ২৫ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তিনি জানতে পারেন তাঁর মায়ের সহোদর বোন ঢাকা সিএমএইচে ইন্তেকাল করেছেন। এরপর তিনি স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে পান্থপথ থেকে সিএমএইচের উদ্দেশ্যে রওনা হন। জাহাঙ্গীর গেট দিয়ে সেনানিবাসে প্রবেশ করে সামরিক পুলিশের অনুমতি নিয়ে সিএমএইচে পৌঁছান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মরদেহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। মরদেহ মরচুয়ারিতে রাখার পর রাত আনুমানিক ৩টা থেকে সোয়া ৩টার দিকে তাঁরা সেখান থেকে ফেরেন।
ঘটনার সময়ের এই তথ্যগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের মাধ্যমে সহজেই যাচাই করা সম্ভব বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাহাঙ্গীর গেট ও সেনানিবাস এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ, সিএমইচে প্রবেশ ও অবস্থানের রেকর্ড, নিরাপত্তা তথ্য এবং তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের লোকেশন ও প্রযুক্তিগত তথ্য পরীক্ষা করলেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।
প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্য না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, পারিবারিক শোক ও কর্মব্যস্ততার কারণে সংবাদমাধ্যমের ফোন কল বা বার্তা সময়মতো দেখতে না পারায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে কোনো প্রত্যক্ষদর্শী, ভিডিও ফুটেজ বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অনুপস্থিতিতে তাঁকে একটি ‘সাদা মাইক্রোবাসে’ করে হামলার নির্দেশদাতা হিসেবে প্রচার করার ভিত্তি নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।
প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা মহানগর পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার নিরপেক্ষ তদন্তের জোরালো দাবি জানিয়ে মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল বলেন, প্রকৃত হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী এবং এর পেছনে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে কোনো নির্দোষ ব্যক্তিকে যেন রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে হয়রানি করা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।