স্টাফ রিপোর্টার
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ জলিলের বিরুদ্ধে সেবা প্রত্যাশীর সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে উপজেলার সিদ্ধি গ্রামের মৃত ঈমান আলী সরদারের স্ত্রী ও তার ছোট ছেলে সজিবুল ইসলাম সজিবের সাথে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য- রোববার (১১ জানুয়ারী) দুপুর আনুমানিক ১২ টার দিকে ঐ নারী ও তার ছেলে শৈলকুপা উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসে যান এবং পূর্ব পরিচিত রোকেয়া নামে এক আনসার সদস্যকে খোঁজ করেন। এসময় সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা প্রশিক্ষিকা ইউনেসা তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “যতোসব আজে-বাজে লোক এসে দরকারি কথা না বলে শুধু রোকেয়ার খোঁজ করে। সেসময় ঐ প্রশিক্ষিকা সেবা প্রত্যাশীকে বলেন, “যা বলার স্যারের কাছে গিয়ে বলেন”। তখন দ্বীপক সরকার নামে অন্য আরেক প্রশিক্ষক সজিব ও তার মাকে নিয়ে উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার অফিস রুমে নিয়ে যেয়ে তাদের সাথে কথা বলতে বললে ঐ কর্মকর্তা উদ্ধত্য পূর্ণ আচরণ করেন এবং দ্বীপককে উদ্যেশ্য করে উচ্চ কন্ঠে চিল্লাইয়া বলেন, “তোমাদের সাথে আর পারলাম না! যাকে নিয়ে এসেছো তিনি কি তোমার আত্বীয় হয়? যদি না হয় অফিস থেকে বের করে দেও। সজিব বলেন, আমার মা আনসার ভিডিপি থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত একজন নারী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ডিউটি করা যাবে কিনা এবিষয়ে জানতে আনসার অফিসে গিয়েছিলাম। কিন্তু অফিসার যে সৌজন্যতা দেখালো তা কখনোই কাম্য নয়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, শৈলকুপা উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ জলিল ও প্রশিক্ষিকা ইউনেসা নতুন যোগদান করেছেন এই অফিসে। যোগদানের শুরু থেকেই কর্মকর্তা জলিলের এমন আচরণ শুধু সেবা প্রত্যাশীদের সাথেই নয়, স্টাফদের মধ্যেও রয়েছে চাপা ক্ষোভ ও বিরুপ প্রতিক্রিয়া। তবে চাপা ক্ষোভ নিয়ে এই অফিসারের আন্ডারে কাজ করতে ইতস্তত বোধ করলেও চাকরি হারানোর ভয়ে স্টাফরা কেউ মুখ খুলতে নারাজ। রোববার ঐ মা-ছেলের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয়ে জানতে শৈলকুপা উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ জলিলের অফিসে গিয়ে না পেয়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।