
মোঃ লিটন হোসেন ঝিনাইদহঃ
আবাইপুর ইউনিয়ন যুগনী অদুত মেম্বারের বাড়ি থেকে মাঠে অভিমুখী সাড়ে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দের রাস্তায় মাটির কাজ। প্রায় ২০ দিন আগে কাজটি করেছে। ওখানকার উপস্থিত কয়েকজনের সাথে কথা বললাম কথা বলে জানতে পারলাম যে একটি ভেকু নিয়ে এসে ৩দিনে এই কাজ শেষ করেছে। যদি সর্বোচ্চ কাজ করে তাহলে ৩০ ঘন্টা কাজ করেছে। সর্বোচ্চ খরচ হলে ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
এই কর্মের আর একটা বিশেষ দিক হলো রাস্তা আগে অনেক চওড়া ছিল যে মাটি দেয়া হয়েছে তা রাস্তার সাইড থেকে কেটে উঠানো হয়েছে। সরকারি জমি পাশের জমি আলাদের দখলে চলে গেছে। রাস্তা আগে প্রশস্ত ছিল এখন রাস্তা চিকন হয়ে গেছে।
এ আবার কেমন চুরি পুকুর চুরির কথা শুনেছি একে তাহলে সাগর চুরি বলা যায়? ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান দীপকের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম এই কাজ বর্তমান আইন মন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দের কাজ সে এর পিআইসি না। তবে পিআইসি কে সে তা বলল না। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হেলাল বিশ্বাসের সাথে কথা বললাম সে বলল আমি এ ব্যাপারে কিছুই বলতে পারব না।
তখন মনের ভিতর প্রশ্ন উঠলো শৈলকুপার আইনমন্ত্রী মহোদয় আপনার শৈলকুপায় কারা এই লুটপাট করছে? বিশেষ বরাদ্দের অর্থ সেটা আপনার জানা আছে কিনা জানিনা। তখন মনে হল ইতিপূর্বে কিছু ব্যক্তি শৈলকুপায় বিভিন্ন কর্মের অর্থ লুটপাট করে অনেক ধনসম্পদের মালিক হয়েছে। আবার হয়তো কিছু ব্যক্তি এরকম ভাবেই লুটপাট করে অনেক অর্থের মালিক হবে আমাদের মত অপদার্থ মানুষেরা শুধু চেয়ে চেয়ে দেখব আর কিছু বলতেও পারবোনা।
যে মানুষগুলো লুটপাট করে অর্থের পাহাড় গড়ে তুলবে কয়েকদিন পরে সেই মানুষগুলোর নিকট থেকে আমাদেরকে শুনতে হবে অনেক আদেশ উপদেশ নির্দেশ। শুনতে হবে অনেক আদর্শবান কথা কারণ সামনের দিনগুলোতে তারাই আবার জনপ্রতিনিধি হবে। আজ আবাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে একজন মেম্বার বলেই ফেলল নির্বাচন করতে অনেক টাকা লাগে ভাই তাহলে প্রকল্পগুলো থেকে যদি আমরা কিছু না করতে পারি সেই টাকাগুলো কোথায় পাবো ? একটু বলে যাবেন কি? হতভম্ব হয়ে চুপ করে বাহির হয়ে আসলাম।
পরে দিন জানা গেল ঐ প্রকল্পের পিআই সি নাম মোঃ মাসুম বারব হিরো সাথে মোবাইল ফোনে (০১৭৫৮-৫৫০৯৫৮)কথা হলে তিনি বলেন আমি নাম মাএ পি আই সি। চার দিন কাজ হয়েছে। কাজের ফাইল অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।
শৈলকূপা উপজেলা প্রকল্প অফিসার (পি আই ও)নিউটন বাইন বলেন আপনারা প্রকল্প পি আই সি সাথে কথা বলেন।