
মহিতোষ বিশ্বাস, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি:
অসম প্রেমের টানে সুদুর মাদারীপুর রাজৈর থানা হতে মাগুরার শ্রীপুর থানার টুপিপাড়া গ্রামে অবস্থান করছে একটি মেয়ে।
মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার টুপিপাড়া গ্রামের মিরাজ বিশ্বাসের দশম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়ে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকে মাদারীপুর রাজৈর থানার লখন্ডা গ্রামের পিজুস গাইনের মেয়ে জয়া গাইনের সাথে ২বছর আগে পরিচয় হয়। তথ্য আদান প্রদানের এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্কে রুপ নেয়। সে মোতাবেক মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন হয় বলে উভয়ই দাবি করে।
মিরা খাতুন ইসলাম ধর্মের অনুসারী আর জয়া গাইন খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী। তাদের ভাষ্যমতে তারা মোবাইলের মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন করেছে।
এ ঘটনায় মিরা খাতুনের বাবা মিরাজ জানান, গত ২৬ আগস্টে মিরা খাতুন বাড়ির কাউকে না জানিয়ে মাদারীপুরে জয়া গাইনের বাড়িতে চলে যায়। সেখানে পাঁচদিন অবস্থান করার পর শ্রীপুর থানা পুলিশ ও রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।
পরবর্তীতে তারা আবার গোপনে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে গতকাল ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং জয়া গাইন মাগুরার শ্রীপুরে টুপিপাড়া গ্রামে মিরা খাতুনের বাড়ি চলে আসে।
জয়া গাইন জানান, ইতিপূর্বে তার বিবাহ হয়েছিল এক প্রবাসির সাথে। সেখানে সে দুবছর সংসার করেছে। বর্তমানে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছে বলে স্বীকার করেন।
এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে কিভাবে একটি মেয়ে আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে।
মিরা খাতুনের অবিভাবকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, এটা কখনোই সম্ভব নয়। ইতিমধ্যেই থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে এবং জয়া গাইনের পরিবারকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে। তারা আসলেই প্রশাসনের সহযোগিতায় মীমাংসা করা হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।