October 28, 2026, 10:00 am
শিরোনাম:
শৈলকুপার ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়ন  ভূমি অফিসে দালাল ছাড়া মেলে না সেবা, বঞ্চিত ভূমি মালিকরা; রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার মাগুরার শ্রীপুরে সাংবাদিকের জমির গাছ তুলে নিল দুর্বৃত্তরা লংমার্চ সফল করতে ঝিনাইদহের মধুহাটিতে জামায়াতের মিছিল ও আলোচনা সভা। অ্যাডভোকেট মাসুম খানের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মোহাম্মদপুরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ। মনাকষা সীমান্তে মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ”পরিচালনা শুরু করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৩ বিজিবি। শৈলকূপায় ডোপ টেষ্টে ২ জনের শরীরে প্রমাণ পাওয়া গেল মাদকের। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকা উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ নুর আলমের শুভেচ্ছা। ঝিনাইদহে লং মার্চ সফল করতে মধুহাটীতে জামায়াতের জনশক্তি সমাবেশ। ঝিনাইদহ জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব হলেন সাকিব রানা। এনসিপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন ঝিনাইদহের উদীয়মান নেত্রী শাহরিন ইরা।
Notice :
শৈলকুপায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভ্রূম্যমান আদালতের অভিযান: ২১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা!… ঝিনাইদহে ড্রেন নির্মাণকাজে বাধা ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দুই কথিত সাংবাদিক আটক” শৈলকূপা উপজেলা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভুয়া আনসার সদস্য দিয়ে পূজা মন্ডপের ডিউটি চলমান। মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৫নং ফুলহরি ইউনিয়ন সুব্রত দধি মিষ্টি ভান্ডারে মিষ্টি বাকি না দেয়ার কারণে সুব্রত উপরে ও তার মায়ের উপরে হামলা! ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরার এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ম/রদে/হ উ/দ্ধার দেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা কুষ্টিয়ার লালন শাহ ব্রিজের পিলারের সাথে ট্রলারের ধাক্কা লেগে শৈলকু/পার দুইজন সহ তিনজন নিখোঁজ। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের ৬৬% ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের ৭৫% পদ ফাঁকা অবশেষে ঝিনাইদহ পরিবেশ অধিদপ্তরের ঘুষখোর কর্মকর্তা মুন্তাছির বদলি।

ঐতিহ্যাবাহী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউকে ওয়েলস আওয়ামী লীগ

হাকিকুল ইসলাম খোকন,

হাকিকুল ইসলাম খোকন, 
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সদস্য ও ওয়েলস আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা ও সাংবাদিক মকিস মনসুর, এবং ওয়েলস আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রাক্তন ছাত্রনেতা আব্দুল মালিক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এক যুক্ত বিবৃতিতে ঐতিহ্যাবাহী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। খবর আইবিএননিউজ ।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের প্রতি কোনো ভ্রুক্ষেপ না করে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিল

পাস করার মাধ্যমে বাংলাদেশের মহান সংসদ কলঙ্কিত করা হয়েছে যাহা ইতিহাসে ন্যাক্কারজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি হলো বলে উল্লেখ করে  এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, প্রকাশ করা হয়েছে। ইউকে ওয়েলস আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ আর ও বলেন ,অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ জারি করেছিল। বিএনপি সরকার সেই অধ্যাদেশ কথিত জাতীয় সংসদে অনুমোদন করে আইনে পরিনত করেছে। এই ধরনের সিদ্ধান্ত কেবল একটি রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্য করে নেওয়া পদক্ষেপ নয়; বরং এটি দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা, সুষ্ঠু রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং জনগণের মৌলিক অধিকারের উপর সরাসরি আঘাত। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের পথ বেয়ে গড়ে ওঠা গণমানুষের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে   নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ গণতন্ত্রের মূল চেতনাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং রাষ্ট্রকে একদলীয় বা স্বৈরতান্ত্রিক ধারার দিকে ঠেলে দেয়। একই তা ইতিহাসের প্রতি রক্তচক্ষু দেখানো। যা দেশের জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, একটি রাজনৈতিক দলের কার্যকারিতা নির্ভর করে জনগণের উপর। জনগণের প্রিয় সংগঠন হয়ে থাকলে পৃথিবীর কোনো শক্তি প্রয়োগ করে সেটা আটকানো যায় না। দমন-পীড়ন, নিষেধাজ্ঞা বা আইনের অপপ্রয়োগ কখনোই স্থায়ী সমাধান বয়ে আনতে পারে না; বরং এটি সমাজে অস্থিরতা ও বিভাজন সৃষ্টি করে। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অন্তরায়।
আওয়ামী লীগ প্রায় ৭৭ বছরের রাজনৈতিক অভিযাত্রায় একাধিকবার নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে।
১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খান সামরিক আইনের অধীনে একটি অধ্যাদেশ (Political Parties Elected Bodies Disqualified Ordinance -PRODO) জারি করে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন, যার আওতায় আওয়ামী লীগও পড়ে। পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফার ভিত্তিতে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।  সত্তুরের নির্বাচনে এ জনপদের মানুষ আওয়ামী লীগকেই নিরঙ্কুশ সমর্থন জানিয়েছে।
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ, পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে আওয়ামী লীগকে “রাষ্ট্রদ্রোহী” ঘোষণা করে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেন। ইয়াহিয়া খান বলেন, “আওয়ামী লীগ একটি রাষ্ট্রদ্রোহী দল এবং এটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।”
ঐ ভাষণে ইয়াহিয়া খাঁন বঙ্গবন্ধুকে ‘পাকিস্তানের শত্রু’  আখ্যায়িত করে বলেন, “শেখ মুজিব ও তাঁর অনুসারীরা পাকিস্তানকে ভাঙতে চায়—এটি একটি অপরাধ, যার শাস্তি অনিবার্য।”

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট খুনিরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। জেলের অভ্যন্তরে চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। নারী নেত্রী আইভি রহমান সহ ২৪ জন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী নিহত হয়। সংগঠনকে নেতৃত্ব শূন্য করে আওয়ামী লীগ কে ধ্বংস করার যড়যন্ত্র বহুবার বহুভাবে হয়েছে। প্রতিবারই আওয়ামী লীগ ঘুরে দাড়িয়েছে।  আওয়ামী লীগ তার ইতিহাসে একাধিকবার নিষেধাজ্ঞা ও সংকটে পড়েও জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি। এদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে যে সংগঠনের স্হান কাগুজে আইনে তা মুছে ফেলা যায় না।

মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে রক্ত দিয়ে লেখা ইতিহাসের নাম “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ”।

নিষিদ্ধের বেড়াজাল ছিন্ন করে একে অপরের হাত ধরে

মুক্ত বিহঙ্গের মতো উড়ে বেড়াবে ঘুরে দাঁড়াবে,এই দলকে মুছে ফেলা যাবেনা। আওয়ামী লীগ ছিল, আওয়ামী লীগ আছে, আওয়ামী লীগ থাকবে।অতীতের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে  ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়ামীলীগ আবার  ফিরবে ।



error: Content is protected !!