
স্টাফ রিপোর্টার ঝিনাইদহঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলা শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ হামিদ পারভেজ মিয়া। গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে এনসিপি ঝিনাইদহ জেলা শাখা কর্তৃক আগামী ৬ (ছয়) মাসের জন্য অনুমোদিত আংশিক আহ্বায়ক কমিটিতে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে তিনি এনসিপির ঝিনাইদহ জেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় দলটির প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যেই তাঁকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলা এনসিপির আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আলাউদ্দিন জোয়ার্দার লাড্ডু, সদস্য সচিব আরেফিন কায়সার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে তাঁকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রণয়ন করে দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
নতুন কমিটি যারা হলেনঃ
আহবায়ক মোঃ হামিদ পারভেজ মিয়া,
সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রুবেল হাসান, যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আব্দুল আল মোজাহিদ,
সদস্য সচিব মোঃ সাইদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডাক্তার মোহাম্মদ মহিবুল হাসান, যুগ্ম সদস্য সচিব মোঃ আবুল কালাম আজাদ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ এনামুল হক, মুক্তি বিষয় সম্পাদক মোহাম্মদ মুখতার আলী।
নতুন এই কমিটি অনুমোদন উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে জেলা এনসিপির সদস্য সচিব আরেফিন কায়সার বলেন, হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির কার্যক্রমকে আরও বেগবান, শক্তিশালী ও জনমুখী করতে এই আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত আহ্বায়ক মোঃ হামিদ পারভেজ মিয়ার নেতৃত্বে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে এবং জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ও জনকল্যাণমূলক কাজগুলো আরও গতিশীল রূপ লাভ করবে।
হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় মোঃ হামিদ পারভেজ মিয়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি শিক্ষা, বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে হামিদ পারভেজ মিয়া বলেন, “পদ কোনো অহংকারের বিষয় নয়; এটি জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধের প্রতীক। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে হরিণাকুণ্ডুর মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যা, প্রত্যাশা ও অধিকারকে।