July 30, 2026, 6:29 pm
শিরোনাম:
শ্রীপুরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে আগুন, পুড়লো ৪ দোকান, ক্ষতি ৪ লাখ টাকা শ্রীপুরে টাকার ৫০ টাকার প্রলোভনে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ, এলাকায় চাঞ্চল্য শ্রীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, ফার্মের তারে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ শৈলকুপায় ইয়াবা সহ তিনজন আটক অস্ত্র উদ্ধারে ডেভিড ইমনসহ ৫ সন্ত্রাসীর ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ ঝিনাইদহে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের সাথে রাশেদ খানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শৈলকুপায় ক্ষমতার পালাবদলে আ’লীগ সমর্থিতদের ‘বিএনপি প্রীতি’: ইছহাক হোসেনকে নিয়ে তুমুল বিতর্ক দাগনভূঞায় উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আধুনিক ডিজিটাল সাইন প্রতিষ্ঠান ‘সফল’ শৈলকূপা চড়িয়ার বিল বাজার মিতু বেকারিতে অভিযান! গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তিতে চট্টগ্রাবাসী, প্রয়োজনের তুলনায় ৪৪ শতাংশ কম গ্যাস সরবরাহ
Notice :
অভিনন্দন! স্পেন ফুটবল দলকে যোগ্য দল হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি জেতার জন্য এবং ফিলিস্তিনের পাশে থাকার জন্য। শৈলকুপা শহরে সোনার তরী জুয়েলার্সে সোনা ব্যবসার অন্তরালে ইয়াবা ট্যাবলেটের ব্যবসা। দোকান থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সময় টিভির পরিচালকসহ ৫ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঝিনাইদহে নিবন্ধনহীন ১৯৮ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রোগীরা কালীগঞ্জে কাশিপুর রেলগেট এলাকায় ট্রেনে কা.টা পড়ে, দুই পা হারালেন এক যুবক। ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ ১০নং বিসকা ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামের কাঠবাড়ির (নির্বাচনী বাজার সংলগ্ন)মোঃ একরামুল দিন- দুপুরে ভাতিজার হাতে খু*ন। ইটবোঝাই ট্রলির ধাক্কায় পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু! কাশিয়ানীতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা সাবেক রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিনকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে জানাজায় প্রধানমন্ত্রী শৈলকুপায় শিক্ষার্থীকে চুল কেটে দিলেন সভাপতি, শিক্ষকের দিকে তেড়ে গেলেন বাবা!

খাল পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণে চসিকের দুই প্রকল্প, ব্যয় প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

 

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে খাল পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পৃথক দুটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। প্রকল্প দুটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৭১ কোটি টাকা। এ লক্ষ্যে ‘আওয়ার পালস’ নামে একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
চসিক সূত্র জানায়, বর্তমানে জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৬ খাল নিয়ে চলমান মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হলে খালগুলো সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে এসব খালের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও আর্থিক সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে চসিকের। এ কারণে ৩৬টি খাল রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি প্রকল্প এবং মেগা প্রকল্পের বাইরে থাকা ২১টি খাল পুনরুদ্ধার ও সংস্কারের জন্য আরেকটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এর মধ্যে ৩৬ খাল রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২২ কোটি টাকা এবং ২১ খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। গতকাল সিটি মেয়রের কাছে প্রকল্প দুটির বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘আওয়ার পালস’।
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রস্তাবিত প্রকল্পে কিছু বিষয় সংযোজনের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, “মেগা প্রকল্পের বাইরে শুধু ২১টি নয়, আরো অনেক খাল রয়েছে। সংখ্যাটি ৪০ থেকে ৫০টির মতো হতে পারে। সম্প্রতি চান্দগাঁও এলাকায় একটি মৃত খাল দেখেছি, যার ওপর অনেক প্লট গড়ে উঠেছে। এ ধরনের খালও প্রকল্পের আওতায় আনতে হবে। ফলে প্রকল্পের ব্যয় বাড়তে পারে।”
৩৬ খাল রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, বর্তমানে সেনাবাহিনী খালগুলোতে কাজ করছে। প্রকল্প শেষ হলে এগুলো সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তখন নিয়মিত খনন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিতে হবে চসিককে। এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়া খালগুলোকে পর্যটনবান্ধব করে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।
২১ খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পঃ
২০২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার বিভাগের এক সভায় চট্টগ্রাম ও ঢাকার সিটি করপোরেশনগুলোর জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পর্যালোচনার সময় ২১টি খাল নিয়ে পৃথক প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।
এরপর একই বছরের ২৩ আগস্ট সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগে দরপত্র আহ্বান করে চসিক। ওয়াশো ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডকে এ কাজের দায়িত্ব দেয়া হলেও প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালের শুরুতে কাজ করতে অপারগতা জানায়। পরে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা সিইজিআইএসও একইভাবে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও ডিপিপি প্রণয়নে চীনের পাওয়ার চায়নার সহযোগিতা চায় চসিক। এ বিষয়ে রাজধানীতে প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ম্যানেজারের সঙ্গে বৈঠকও করেন মেয়র। সর্বশেষ ‘আওয়ার পালস’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করে।
মেগা প্রকল্পের বাইরে থাকা উল্লেখযোগ্য খালের মধ্যে রয়েছে কাটা খাল, কৃষ্ণ খাল, কুয়াইশ খাল, যুগীর খোলা খাল, ফরেস্ট খাল, বাইজ্জা খাল, চট্টেশ্বরী খাল, রামপুর খাল, বালুখালী খাল, বারিঙ্গাছড়া খাল ও ধামাইর খালসহ বিভিন্ন সংযুক্ত খাল।
৩৬ খাল রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পঃ
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অধীনে সেনাবাহিনী বাস্তবায়ন করছে ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকার জলাবদ্ধতা নিরসন মেগা প্রকল্প। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এর আওতায় রয়েছে ৩৬টি খাল।
প্রস্তাবিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পে ৩২২ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ‘আওয়ার পালস’-এর প্রতিবেদনে পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে খালগুলোর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও গভীরতা নিরূপণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রথম ধাপে (১-৬ মাস) জরুরি ভিত্তিতে খাল থেকে পলি ও বর্জ্য অপসারণ এবং ডিজিটাল ইনভেন্টরি প্রস্তুত করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে (৬-২৪ মাস) খালের কাঠামোগত উন্নয়ন, ইউ-ওয়াল নির্মাণ এবং নাগরিক অভিযোগ ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হবে। তৃতীয় ধাপে (২-৫ বছর) আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জলাবদ্ধতা ব্যবস্থাপনা, বন্যা পূর্বাভাস ও ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।



error: Content is protected !!