
স্টাফ রিপোর্টারঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে মাওলানা খান মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক (ভাইরাল সিদ্দিক)-এর দানবাক্স থেকে টাকা নেওয়ার একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া চুরির অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ ভুয়া, ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার বলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।
ভাইরাল সিদ্দিক পাল্টা দাবি করে জানিয়েছেন, ভিডিওতে যে দানবাক্সটি দেখা গেছে সেটি কোনো চুরির ঘটনা নয়, বরং তার নিজের নিবন্ধিত সংগঠন ‘নিউ মুসলিম ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’-এর। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের তিনি নিজেই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং এর চাবিও তার কাছেই থাকে। নওমুসলিমদের সহায়তায় নিয়োজিত এই সংগঠনের ঢাকা শহরে ১৫-১৬টি দানবাক্স রয়েছে এবং নিয়মিত হিসাব-নিকাশের অংশ হিসেবেই তিনি সেখান থেকে অর্থ সংগ্রহ করছিলেন।
তার দাবি অনুযায়ী, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সাম্প্রতিক নয়, বরং গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬ সালের। সেদিন মোহাম্মদপুরে একটি স্থানীয় চক্র তাকে একা পেয়ে ঘিরে ধরে এবং ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রচণ্ড মারধর করা হয় এবং জোরপূর্বক এই ভিডিওটি ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে আত্মীয়দের মাধ্যমে ৮ হাজার টাকা এনে দেওয়ার পর তিনি মুক্তি পান এবং এই ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছিল।
তিনি স্পষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চাঁদা না পেয়ে তার সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ওই চক্রটি এখন পুরনো নির্যাতনের ভিডিওটি “চুরির ঘটনা” বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। মূলত তিনি চোর নন, বরং নিজের প্রতিষ্ঠানের অর্থ সংগ্রহের সময় একটি চাঁদাবাজ চক্রের পরিকল্পিত ফাঁদ ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।