শৈলকুপার মনোহরপুর ইউনিয়নের দামুকদিয়া পশ্চিমপাড়ার অবহেলিত একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি অবশেষে এলাকাবাসীর যৌথ প্রচেষ্টায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা শুরু হয়েছে । উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম পান্নার সার্বিক সহযোগিতায় শুক্রবার সকাল থেকে এলাকার সর্বস্তরের জনগণ এই স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে রাস্তার পানি নিষ্কাশন কাজে অংশ নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা মন্টু সাহেবের মোড় থেকে আমিরুল ইসলাম পান্নার বাড়ির নিকট ব্রিজ পর্যন্ত এবং জোয়ারদার বাড়ি থেকে শফিউদ্দিন এর বাড়ি পর্যন্ত মোট দেড় কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে চরম অবহেলিত ও চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তায় হাঁটু সমান কাদা ও পানি জমে যায়, যার ফলে সাধারণ মানুষের চলাচল একেবারেই বন্ধ হয়ে পড়ে।
এই রাস্তাটি শুধু যোগাযোগের মাধ্যমই নয়, বরং স্থানীয় কৃষি অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। মনোহরপুর, বিষ্ণুপুর এবং দামুকদিয়া—এই তিন গ্রামের শত শত কৃষক তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিয়ে যাওয়ার জন্য একমাত্র এই রাস্তাটিই ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু রাস্তাটি কাঁচা ও বেহাল দশা হওয়ার কারণে কৃষকদের তাদের কষ্টার্জিত ফসল হাটে-বাজারে পরিবহন করতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বহু বছর ধরে এই দুর্ভোগ চললেও রাস্তাটি পাকাকরণে কোনো স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এমতাবস্থায় জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসেন কৃষকদলনেতা আমিরুল ইসলাম পান্না। তার সহযোগিতায় ও স্থানীয়দের উদ্যোগে রাস্তাটি সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করার কাজ শুরু হলেও, স্থায়ী সমাধানের জন্য এটি পাকাকরণ করা জরুরি বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

ভুক্তভোগী গ্রামবাসী ও কৃষকদের পক্ষ থেকে মাননীয় আইনমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানানো হয়েছে, যেন এই জনগুরুত্বপূর্ণ দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তাটি দ্রুত পাকাকরণের ব্যবস্থা করা হয়। রাস্তাটি পাকা হলে তিন গ্রামের হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটবে এবং স্থানীয় কৃষকেরা তাদের ফসলের সঠিক মূল্য সময়মতো নিশ্চিত করতে পারবেন।