July 29, 2026, 5:26 pm
শিরোনাম:
শৈলকুপায় ক্ষমতার পালাবদলে আ’লীগ সমর্থিতদের ‘বিএনপি প্রীতি’: ইছহাক হোসেনকে নিয়ে তুমুল বিতর্ক দাগনভূঞায় উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আধুনিক ডিজিটাল সাইন প্রতিষ্ঠান ‘সফল’ শৈলকূপা চড়িয়ার বিল বাজার মিতু বেকারিতে অভিযান! গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তিতে চট্টগ্রাবাসী, প্রয়োজনের তুলনায় ৪৪ শতাংশ কম গ্যাস সরবরাহ কাফরুলে যুবদলকর্মী হত্যা কালীগঞ্জের চার খুনি সাবেক এমপির ঘনিষ্ট, দেখা গেছে বিএনপির মিছিলেও নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে জাতীয় পর্যায়ে শৈলকুপার তিন কিশোরীর সাফল্য ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের প্রতিবাদে গোয়াইনঘাটে স্টালিংয়ের মানববন্ধনের ঘোষণা আনোয়ারা চায়না ইকোনমিক জোনে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ হবে : অর্থমন্ত্রী ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ হরিনাকুন্ডু থানা পুলিশের যৌথ একটি দল অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার
Notice :
অভিনন্দন! স্পেন ফুটবল দলকে যোগ্য দল হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি জেতার জন্য এবং ফিলিস্তিনের পাশে থাকার জন্য। শৈলকুপা শহরে সোনার তরী জুয়েলার্সে সোনা ব্যবসার অন্তরালে ইয়াবা ট্যাবলেটের ব্যবসা। দোকান থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সময় টিভির পরিচালকসহ ৫ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঝিনাইদহে নিবন্ধনহীন ১৯৮ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রোগীরা কালীগঞ্জে কাশিপুর রেলগেট এলাকায় ট্রেনে কা.টা পড়ে, দুই পা হারালেন এক যুবক। ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ ১০নং বিসকা ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামের কাঠবাড়ির (নির্বাচনী বাজার সংলগ্ন)মোঃ একরামুল দিন- দুপুরে ভাতিজার হাতে খু*ন। ইটবোঝাই ট্রলির ধাক্কায় পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু! কাশিয়ানীতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা সাবেক রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিনকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে জানাজায় প্রধানমন্ত্রী শৈলকুপায় শিক্ষার্থীকে চুল কেটে দিলেন সভাপতি, শিক্ষকের দিকে তেড়ে গেলেন বাবা!

অনলাইন সাংবাদিকতা:পরিবর্তনের ধারা ও ভবিষ্যতের দিগন্ত

শফিকুল ইসলাম খোকন

 

শফিকুল ইসলাম খোকন

বর্তমান বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে সাংবাদিকতার জগতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছে। একসময় যেখানে সংবাদপত্র, রেডিও ও টেলিভিশন ছিল খবরের প্রধান উৎস, সেখানে এখন অনলাইন সাংবাদিকতা তথ্যপ্রবাহের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে। দ্রততা, সহজলভ্যতা এবং বহুমাত্রিক উপস্থাপনার কারণে অনলাইন সাংবাদিকতা আজকের যুগে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

অনলাইন সাংবাদিকতার সূচনা ঘটে ইন্টারনেটের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে। ১৯৯০-এর দশকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তাদের প্রিন্ট সংস্করণের পাশাপাশি অনলাইন সংস্করণ চালু করে। প্রথমদিকে এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে শুধুমাত্র প্রিন্ট সংবাদই হুবহু প্রকাশ করা হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং পাঠকের চাহিদার পরিবর্তনের ফলে অনলাইন সাংবাদিকতা নিজস্ব বৈশিষ্ট্য অর্জন করে।

২০০০ সালের পর থেকে ব−গের উত্থান এবং নাগরিক সাংবাদিকতার প্রসার অনলাইন সাংবাদিকতায় নতুন মাত্রা যোগ করে। সাধারণ মানুষও এখন সংবাদ তৈরি ও প্রচারে অংশগ্রহণ করতে শুরু করে। ফলে তথ্যের উৎস বহুমুখী হয়ে ওঠে এবং সংবাদ আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তবে এর ফলে তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নও দেখা দেয়।

পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আবির্ভাব অনলাইন সাংবাদিকতাকে আরও গতিশীল করে তোলে। এখন মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের খবর জানতে পারে। ফেসবুক, টুইটার (এক্স), ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম সংবাদ প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। সংবাদমাধ্যমগুলোও এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দ্রুত খবর পৌঁছে দিতে সম হচ্ছে।

বর্তমানে অনলাইন সাংবাদিকতায় মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু লিখিত সংবাদ নয়, ভিডিও, অডিও, ছবি ও ইনফোগ্রাফিকের মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ডেটা জার্নালিজমের মাধ্যমে জটিল তথ্য সহজভাবে বিশ্লেষণ করে পাঠকের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে, যা সংবাদকে আরও বোধগম্য ও আকর্ষণীয় করে তুলছে। ভবিষ্যতে অনলাইন সাংবাদিকতা আরও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার সংবাদ সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রকাশনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাঠকের আগ্রহ অনুযায়ী ব্যক্তিকেন্দ্রিক সংবাদ পরিবেশনের প্রবণতা বাড়বে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও অগমেন্টেড রিয়েলিটির মাধ্যমে সংবাদ উপস্থাপনায় নতুন অভিজ্ঞতা যুক্ত হবে।

তবে অনলাইন সাংবাদিকতার সামনে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। ভুয়া খবরের বিস্তার, কিকবেইট সংস্কৃতি, আয় সংক্রান্ত সমস্যা এবং নৈতিকতার অবয় এই খাতের জন্য বড় বাধা। এর অন্যতম কারণ একক নিয়ন্ত্রণ; প্রাতিষ্ঠানিক কোন নিয়ম শৃঙ্খলা নেই। এসব সমস্যা মোকাবিলা করে বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইন সাংবাদিকতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বিকশিত হবে এবং মানুষের তথ্যপ্রাপ্তির প্রধান মাধ্যম হিসেবে তার অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে। তবে এর সফলতা নির্ভর করবে সঠিক তথ্য পরিবেশন, নৈতিকতা বজায় রাখা এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর।

অনলাইন সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ
তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের ফলে অনলাইন সাংবাদিকতা আজ বিশ্বব্যাপী সংবাদ পরিবেশনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দ্রুততা, সহজপ্রাপ্যতা এবং বহুমুখী উপস্থাপনার কারণে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এর এই দ্রুত বিকাশের পাশাপাশি নানা ধরনের চ্যালেঞ্জও সামনে এসেছে, যা এই মাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকারিতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

অনলাইন সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ভুয়া খবর বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার। ইন্টারনেটের উন্মুক্ততার কারণে যে কেউ সহজেই তথ্য প্রকাশ করতে পারে, কিন্তু সব তথ্যই যে সত্য বা নির্ভরযোগ্য, তা নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ অনেক সময় ভুল তথ্যকে সত্য হিসেবে গ্রহণ করে। এর ফলে সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, দ্রুত সংবাদ পরিবেশনের প্রতিযোগিতা অনলাইন সাংবাদিকতার জন্য একটি বড় সমস্যা। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সবার আগে খবর প্রকাশ করার জন্য তাড়াহুড়ো করে, যার ফলে অনেক সময় যথাযথ তথ্য যাচাই করা হয় না। এতে ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো কিকবেইট সংস্কৃতি। অধিক পাঠক আকর্ষণের জন্য অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম অতিরঞ্জিত বা বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ব্যবহার করে। এতে পাঠক প্রতারিত হয় এবং সাংবাদিকতার মান ুণ্ণ হয়। পাশাপাশি, বিজ্ঞাপননির্ভর আয় ব্যবস্থার কারণে অনেক সময় সংবাদমাধ্যমগুলো মানসম্পন্ন কনটেন্টের পরিবর্তে জনপ্রিয়তা অর্জনের দিকে বেশি মনোযোগ দেয়।

নৈতিকতার অবয়ও অনলাইন সাংবাদিকতার একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ। সংবাদ পরিবেশনে নিরপেতা, সত্যতা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রার বিষয়গুলো অনেক সময় উপেতি হয়। এর ফলে সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য তিগ্রস্ত হয় এবং সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

এছাড়া, সাইবার নিরাপত্তা এবং অনলাইন হয়রানির বিষয়টিও দিন দিন গুরুত্ব পাচ্ছে। অনেক সাংবাদিক হ্যাকিং, ট্রোলিং এবং হুমকির সম্মুখীন হন, যা তাদের পেশাগত কাজের স্বাধীনতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে, প্রযুক্তিনির্ভর অ্যালগরিদমের কারণে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ অনেক সময় আড়ালে পড়ে যায়, আর বিনোদনধর্মী বা তুচ্ছ বিষয় বেশি প্রচার পায়।

সবশেষে বলা যায়, অনলাইন সাংবাদিকতা আধুনিক বিশ্বের অপরিহার্য অংশ হলেও এর সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো উপো করার সুযোগ নেই। এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজন সচেতনতা, দায়িত্বশীলতা এবং নৈতিকতার প্রতি অঙ্গীকার। সঠিক তথ্য পরিবেশন এবং প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইন সাংবাদিকতা আরও শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারে।

দ্রুত সংবাদ ও ভিউ প্রতিযোগিতায় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন
বর্তমান অনলাইন সাংবাদিকতার যুগে দ্রুত সংবাদ পরিবেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন মুহূর্তের মধ্যেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের খবর মানুষের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। তবে এই দ্রুততার প্রতিযোগিতা এবং বেশি ভিউ অর্জনের প্রবণতা সংবাদমাধ্যমের তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।

প্রথমত, সংবাদ প্রকাশের েেত্র “সবার আগে” হওয়ার প্রতিযোগিতা অনেক সময় তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়াকে উপো করে। একটি সংবাদ দ্রুত প্রকাশ করার জন্য সাংবাদিকরা অনেক সময় পর্যাপ্ত সূত্র যাচাই না করেই তা প্রকাশ করেন। ফলে ভুল, অসম্পূর্ণ বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারিত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। পরবর্তীতে সংশোধন করা হলেও প্রথমে ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্য মানুষের মনে স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে।

দ্বিতীয়ত, ভিউ বা পাঠকসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম কিকবেইট শিরোনাম ব্যবহার করে। আকর্ষণীয় কিন্তু বিভ্রান্তিকর শিরোনাম পাঠককে কিক করতে উদ্বুদ্ধ করলেও তা প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে অনেক সময় সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে না। এতে পাঠকের আস্থা নষ্ট হয় এবং সাংবাদিকতার মান তিগ্রস্ত হয়।

তৃতীয়ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদমও এই সমস্যাকে তীব্র করে তুলেছে। জনপ্রিয়তা বা এনগেজমেন্টের ভিত্তিতে কোন সংবাদ বেশি ছড়াবে তা নির্ধারিত হয়। ফলে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু কম আকর্ষণীয় খবর আড়ালে পড়ে যায়, আর উত্তেজনাপূর্ণ বা বিতর্কিত বিষয় দ্রুত ভাইরাল হয়ে ওঠে। এতে তথ্যের ভারসাম্য নষ্ট হয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভুয়া খবরের দ্রুত বিস্তার। অনলাইনে যে কেউ তথ্য প্রকাশ করতে পারে, ফলে যাচাইবিহীন বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুল তথ্য খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত সংবাদ প্রকাশের প্রতিযোগিতায় অনেক সময় এই ভুয়া তথ্যও অনিচ্ছাকৃতভাবে মূলধারার সংবাদে জায়গা পেয়ে যায়।

এই পরিস্থিতিতে সংবাদমাধ্যমের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা। এর জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী ফ্যাক্ট-চেকিং ব্যবস্থা, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং নৈতিক মানদণ্ড অনুসরণ। একই সঙ্গে পাঠকদেরও সচেতন হতে হবে এবং যেকোনো তথ্য গ্রহণের আগে তার উৎস যাচাই করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

সবশেষে বলা যায়, দ্রুত সংবাদ পরিবেশন আধুনিক সাংবাদিকতার একটি অপরিহার্য দিক হলেও এর সঙ্গে নির্ভরযোগ্যতার ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে, যা সমাজের জন্য দীর্ঘমেয়াদে তিকর।



error: Content is protected !!