September 12, 2026, 10:20 pm
শিরোনাম:
ঝিনাইদহে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান ‘জামায়াতের সঙ্গেই আঁতাত করে রাজপথে মিছিলের সাহস পাচ্ছে আওয়ামী লীগ’! ঝিনাইদহে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি অপু ইসলাম গ্রেপ্তার, পাঠানো হলো কারাগারে। মুসলিম মেয়ের প্রেমের টানে মাদারীপুর থেকে মাগুরায় খ্রিস্টান মেয়ে ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্টের রায় চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকি ও অপপ্রচারের অভিযোগ শৈলকুপা উপজেলার ৯নং মনোহরপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে, ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন, আমিরুল ইসলাম পান্না। সংসদে সড়কমন্ত্রী মেট্রোরেলের ৪৬ পিলারে ফাটল, ২৭টি বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’ চুক্তির টাকা কম দেওয়াই থানায় এজাহার মামলা দায়ের। ট্রাফিক বিভাগের পেশাদারিত্ব নিশ্চিতে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করে কেএমপি কমিশনার। ঝিনাইদহের শৈলকূপার বগুড়া ইউনিয়নের দলিলপুর গ্রামে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ।
Notice :
কুষ্টিয়ার লালন শাহ ব্রিজের পিলারের সাথে ট্রলারের ধাক্কা লেগে শৈলকু/পার দুইজন সহ তিনজন নিখোঁজ। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের ৬৬% ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের ৭৫% পদ ফাঁকা অবশেষে ঝিনাইদহ পরিবেশ অধিদপ্তরের ঘুষখোর কর্মকর্তা মুন্তাছির বদলি। হরিনাকুন্ডু উপজেলার কালসংকরপুর গ্রামে মোলাম হোসেন মেম্বারকে কু*পি*য়ে হ*ত্যা কুষ্টিয়ায় জামায়াত-গণঅধিকার সংঘর্ষ, এমপি আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর | কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হা’ম’লা অভিযোগ ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পুকুর থেকে সরকারী বালক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী আরাবীর মৃ*ত*দেহ উদ্ধার অভিনন্দন! স্পেন ফুটবল দলকে যোগ্য দল হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি জেতার জন্য এবং ফিলিস্তিনের পাশে থাকার জন্য। শৈলকুপা শহরে সোনার তরী জুয়েলার্সে সোনা ব্যবসার অন্তরালে ইয়াবা ট্যাবলেটের ব্যবসা। দোকান থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সময় টিভির পরিচালকসহ ৫ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আদাবর থানা বিএনপি নেতা মনোয়ার হাসান জীবনের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার

 

স্টাফ রিপোর্টার

ঢাকা মহানগর উত্তর আদাবর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, আরাফাত রহমান কোকো যুব ও ক্রীড়া সংসদের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং আগামী ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩০ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জনাব মনোয়ার হাসান জীবনকে একটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী এবং দলীয় নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। বিক্ষোভ মিছিলটি শিয়া মসজিদ এলাকা থেকে শুরু হয়ে শ্যামলী হল মার্কেটের সামনে দিয়ে প্রধান সড়ক অতিক্রম করে আদাবর থানা ও হক সাহেব গ্যারেজ এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
বক্তারা অভিযোগ করেছেন, আদাবরে আওয়ামী লীগকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করতে একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। ৩০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতির কারণেই মনোয়ার হাসান জীবনকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে তাঁরা দাবি করেন।
বক্তব্যে তুলে ধরা হয়, র্যাব সম্প্রতি একটি ব্রিফিংয়ে মনোয়ার হাসান জীবনের বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট আমলের ৩২টি মামলার কথা উল্লেখ করেছে। অথচ এর একটি মামলাও ৫ই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দায়ের করা হয়নি। অতীতে স্বৈরাচারী সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের ত্রাসের রাজত্বের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে ১৫৩টি পর্যন্ত হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়েছিল। এমনকি বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলন ও পুলিশ হত্যা মামলাতেও তাঁকে ১ ও ২ নম্বর আসামি করা হয়েছিল।
আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকায় সংঘটিত বিএনপি কর্মী আবুল বাশার হত্যা মামলার সাথে মনোয়ার হাসান জীবনের দূরতম কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে সমাবেশে স্পষ্ট দাবি করা হয়। উল্টো ওই মামলার ভুক্তভোগী পরিবার এবং এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ, ডিবি ও সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তিনি নিজে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন—যা প্রশাসন ও ভুক্তভোগী পরিবার উভয়েই জানে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে আটকে রেখে আদাবরে পুনরায় আওয়ামী লীগের আধিপত্য ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়।
মনোয়ার হাসান জীবনের পরিবার সূত্রে জানানো হয়, একটি অনুষ্ঠান থেকে র্যাব-২ এর একটি দল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে নিয়ে যায় এবং এই ঘটনা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার কারণে অতীতেও তাকে গুম করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বর্তমানে মামলার কিছু আসামির উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই তার নাম এই ঘটনায় জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পরিবার এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মানবাধিকার সংস্থা, মূলধারার গণমাধ্যম এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
সমাবেশে উপস্থিত নারী কর্মীরা মনোয়ার হাসান জীবনের মুক্তি দাবি করে জানান, প্রয়োজনে কারাগারের সামনে এবং আদালত প্রাঙ্গণেও মানববন্ধন ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা হবে। ৫ই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর জীবন আদাবরের সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা ও এলাকার উন্নয়নে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাঁর এই জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থন সহ্য করতে না পেরে ফ্যাসিস্ট চক্র এই ষড়যন্ত্রের জাল বুনেছে।
আদাবর থানার ৩০ ও ১০০ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, তাঁতী দল, মহিলা দল, কৃষক দলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জীবন ভাইয়ের মুক্তির দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁকে মুক্ত করে আদাবরের মাটিতে ফিরিয়ে আনা হবে এবং আগামী নির্বাচনে বিপুল ভোটে তাঁকে কাউন্সিলর নির্বাচিত করা হবে—এটাই এখন আদাবরবাসীর একমাত্র প্রত্যাশা।
আদাবর থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিট বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বক্তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মনোয়ার হাসান জীবনের দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।



error: Content is protected !!